মঙ্গলবার, ২৮ Jul ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
আনোয়ার হোসেন::
বরিশাল সদর উপজেলা চরমোনাই ইউনিয়নে বুখাইনগর খানন কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারা (সিএইচসিপি) অফিসিয়াল কাজে দোহাই দিয়ে ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে।এতে সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তৃণমূলের নিম্ন আয়ের মানুষ। বাড়ির পাশের ক্লিনিকে সেবা না পেয়ে তারা যাচ্ছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ নানা বেসরকারি ক্লিনিকে। কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ থাকায় খানন এলাকার প্রায় লক্ষাধিক মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর হাতের নাগালে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সরকার সারাদেশের ইউনিয়ন বৃত্তি ৩টি করে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করে। এসব ক্লিনিকে প্রায় ৩০ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করত সরকার। যে কারণে মানুষ এর সুফল পেয়ে আসছে। কিন্তু কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারা ক্লিনিকগুলো প্রায় দিনেই বন্ধ থাকায় ভেঙে পড়েছে তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা। ফলে প্রতিদিন চিকিৎসাসেবা নিতে আসা গ্রামের শত শত রোগী চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। ক্লিনিকে সামনে দাড়িয়ে সালুকা গ্রামের কৃষক মো. সাদ্দাম মন্ডল বলেন, গত ৩/৪দিন ধুইরে ঠান্ডা জ্বরের ওষুধ নেওয়ার আইসে হাসপাতাল বন্ধ থাহায় এখন আমি কই যামু বলে কাঁদতে থাকেন। তবে সালুকা এলাকার বাসিন্দা ইলিয়াস হোসেন বলেন, ক্লিনিক কখনোই ঠিকমতো খোলা দেখিনি। বরিশাল থেকে এক জন ডাক্তার মাঝেমধ্যে দেখি বেলা এগারোটা আসে বারোটায় চলে যায়, কোনও রোগীর সাথে তার দেখা হয় না। তিনি আরো বলেন, গ্রামের মহিলারা বেলা এগারোটায় রান্নার কাজে ব্যাস্থ থাকেন সপ্তাহে দু এক দিন ডাক্তার আসেন কবে আসে তাও কেউ জানেনা। তবে কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার প্রতিনিদিকে বলেন, আমি বিভিন্ন সময় অফিসিয়াল কাজের জন্য অফিসে যেতে পারিনা। তবে বিষয়গুলোর ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. চলিত চন্দ্র রায় বলেন, ‘সিএইচসিপিরা অফিসিয়াল কাজের জন্যে বাহিরে থাকতে পারে তার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ থাকতে পারে না। সে না থাকিলেও আমরা স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার পরিকল্পনা সহকারীদের দিয়ে যথাসাধ্য সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। আমি ছুটিতে আছি তবে আজ বন্ধ কেনও বিষয়টি আমি দেখবো।